Painting: A Forgotten Queen of Africa
January 2026
Being rich is being able to think about what you love to do.
Being rich is being able to understand the importance of spending some time alone every week.
Being rich is being able to pick up your children from school every day.
Being rich is being able to move thousands of kilometres away from where you were born.
Being rich is being able to enjoy the exposure of a cosmopolitan environment where you get to see people from all over the world.
Being rich is being able to seek out diversity of voices, cultures, and ways of living.
Being rich is realizing that waking up each morning is already a miracle.
Being rich is being able to pause.
This weekend, I took that pause and spent my alone-time and did this painting. No big plan, just a few quiet hours.
Here is my weekend lone-time art: “A Forgotten Queen of Africa.”
Mixed media on paper (acrylic, metalic gold, and collage)
Painting: A Forgotten Queen of Africa, 2026
Painting: দিকহীন ভোরের শহর
A Directionless Dawn City
February 2025
Mixed media on canvas
ললাটে বহন করে বিধি আর ভয়ের রেখা,
সে হাতে নিল মাপের কাঠি, বলে দিল এটাই দিন, ওটা রাত্রি,
এটা পাথর, ওটা বীজ, এটা নিকট, ওটা দূর।
একটানা অন্ধকারের বুক থেকে সে কেটে নিল সরু এক ফালি আলো,
নাম দিল তার ভোর, স্রোতের দুদিকে দাঁড় করাল তীর,
বলল – এটা জীবন, ওটা মরণ।
অখণ্ড নরম মাটির উপর সোজা একটা রেখা টেনে
সে বানাল পথ আর প্রান্তর, বলল – এই দিকে ঘর, ওই দিকে বন,
এই শহর, ওই হলো দূরদেশ।
তারপর আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল – এ শুরু, ওই হলো শেষ।
মাপের কাঠি যত লম্বা হলো সে তত ভাঙল খণ্ড খণ্ড কাচের মত;
শস্যের মত জন্মাল নাম,
বালুর উপর টানা দাগের মত উঠে এল দেয়াল, প্রতিজ্ঞা।
এসব মাপজোকের আগে তার কোনও দিক ছিল না,
কোনও দূরত্বও ছিল না।
Painting: Past the feather’s edge
17 December 2022
Acrylic on canvas sheet
Painting: A quaint village
4 November 2022
Acrylic on canvas
Painting: The Mothers of 1971, Bangladesh
12 October 2022
Acrylic on paper
কিছু হাঁটা শুধু পাশে থাকার জন্য
30 July 2022
Painting: A long way to go , Acrylic on canvas
ক্যানভাসের আগন্তুক
৯ নভেম্বর ২০২১
কত নক্ষত্ররাজি, গ্রহ, উপগ্রহ, কত ছায়াপথ, ভ্রূণ ছায়াপথ~ মানুষের জ্ঞানের বহরটাকে আজ যদি অংকে লেখা যায় টেনে টুনে চার শতাংশও হয়না। বাকি ছিয়ানব্বই ভাগ ডার্ক ম্যাটার। আর সবই তো আপেক্ষিক। এই যে চার, এই যে ছিয়ানব্বই...এইসব তো মানুষ উৎপাদিত কিছু সংখ্যা মাত্র। এইসব হিসেবে তো আর ডার্ক ম্যাটারের কিছু আসে যায়না। জানা বোঝার ওই চার ভাগের চাইতে মানুষের চিরকালের অজানা থেকে যাওয়া বাকি ছিয়ানব্বই ভাগের কাছেই আমার বেশি বশ্যতা। তাই মজার ঘটনাগুলোকে আমার কাছে অলৌকিক লাগে। এখানে দুটো ছবি আটকে দিচ্ছি। একটার নাম দিয়েছি- নৃত্যরত যুগল, আর একটার নাম- রহস্যময় ছায়া মানবী। নৃত্যরত যুগলের কাহিনি হলোঃ একবার আমি লিকুইড সোপ, দুধ, অ্যাক্রেলিক রং, আর রাইসরিষার তেল একসাথে মিশিয়ে ক্যানভাস বোর্ডে ঢেলেছিলাম। খানিক বাদে দেখি ক্যানভাস বোর্ডটায় কি যেন, কারা যেন মাথা চারা দিয়ে গজিয়ে উঠছে বুদবুদের মতো। সেই রেখা বুদবুদ গুলোতে কালো রং দিয়ে আউটলাইন করে দেখি এরা দুইজন, আবার নাচছে, সালসা জাতীয় কোনো নাচ মনে হয়। কোত্থেকে যে এই দুজন এলো, কোথায় যে ছিল ওরা আগে! যেখানে আগে ছিল সেখানে থাকতে থাকতে একঘেয়ে লেগেছিল বুঝি? তাই আমার মাথায় ভূতের মতো চেপে আমাকে দিয়ে ক্যানভাস বোর্ডে তেল-সাবান-রং ঢেলে নেওয়ার ছুতোয় হাজির হলো। এবারে বলি রহস্যময় ছায়া মানবীর ব্যাপারটাঃ গত হেমন্তের এক রোদ পড়ে আসা বিকেল। জানালার ব্লাইন্ড টেনে দেয়া ছিল। উইন্ডোসিলপ্যানে কিছু গাছ। ব্লাইন্ড টানা একটা ঘরের ভেতরে আসার জন্য বন্টিত রোদ আর কতটুকুই বা। ওরই মধ্যে রোদের আলাপ ওরই মধ্যে হিসেব। মন্সটেরার চ্যাপ্টা পাতাগুলোর ওপর রোদের নজর। সেইসব পাতায় রোদ পড়েছিল, আর একাধিক পাতার বিচ্ছিন্ন ছায়াগুলো কীকরে কীকরে আঁটসাঁট হয়ে একটা অবয়ব বানিয়ে নিয়ে এসে পড়ল সাদা একটা ক্যানভাস বোর্ডে। মনে হচ্ছিল চূড়ো খোঁপা মাথায় কে এক মেয়ে, বাম হাতটা কোমরে, জানালায় দাঁড়িয়ে দেখছে কিছু। কে গো তোমরা; আকাশ থেকে নামো, এই গৃহকোণে এসে থামো?
ছবি: নৃত্যরত যুগল (The dancing couple)
মাধ্যম- ক্যানভাস বোর্ডে লিকুইড সোপ, দুধ, অ্যাক্রেলিক রং, আর রাইসরিষার তেল!
ছবি: ছায়া মানবী (The Shadow Lady)
মাধ্যম: আকস্মিক আলোকচিত্র - ক্যানভাসে প্রাকৃতিক আলো ও ছায়ার খেলা
মন্সটেরা পাতার ছায়া এসে যেন সেঁটে গিয়েছিল ক্যানভাসে। আমি কিছু সাজাইনি, আঁকিনি, এমনকি কিছু ভাবিওনি। কিন্তু হঠাৎ দেখতে পেলাম এই নারীসুলভ অবয়ব, খোঁপা বাঁধা চুল, বাঁ হাতটি কোমরে রেখে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে যেন। আলো আর ছায়ার কাকতালীয় এক তুলির টান। মাত্র দু এক মিনিটের জন্য ছিল এই অবয়ব, আমি কেবল ক্যামেরার শাটার চাপতে পেরেছিলাম, মুছে যাওয়ার আগেই।
এই ছায়া মানবী ছিল আলো ও সময়ের মিলনের এক অনির্ধারিত মুহূর্ত, দু এক মিনিটের মধ্যেই সূর্য একটু সরে গেলেই সব বদলে গিয়েছিল, আর পড়ে ছিল শুধু সাদা ক্যানভাস।